মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে এক মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু । মাদারীপুরে খাল পরিস্কার ও খালের পাড়ে থাকা ৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ
    ||   মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে এক মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু ।      ||   মাদারীপুরে খাল পরিস্কার ও খালের পাড়ে থাকা ৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মুকসুদপুরে গৃবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে প্রচার অভিযোগ ।      ||   মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ জন      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   আলোকিত মানুষ হয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়      ||   চীনের সহায়তায় রোহিঙ্গা ফেরানোর প্রস্তাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      ||   ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা      ||   তিনি ছি লেন দলিত মানুষের ত্রাণকর্তা     
তারিখ: 2019-04-09 | সময়: 22:31:48 | প্রতিনিধি:
নৃপেন্দ্রনাথ চক্রবতী ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এক মেয়ে শিক্ষার্থীকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা খুবই গর্হিত ও দুঃখজনক ঘটনা। আরও উদ্বেগের বিষয়, প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করায় তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগা মানুষরা এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা মনে করি, অবিলম্বে ভিকটিমকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের পাশাপাশি শ্লীলতাহানির চেষ্টাকারী অধ্যক্ষ ও তার সহকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা নেয়া দরকার। জানা যায়, শনিবার নিজের মাদ্রাসার কেন্দ্রে আলিম আরবি প্রথমপত্রের পরীক্ষা দিতে যান ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। ওই সময় পরীক্ষা কক্ষ থেকে তাকে ডেকে ছাদে নিয়ে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। বোরকায় মুখ ঢাকা ওই শিক্ষার্থীরা ভিকটিম ছাত্রীকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়। কিন্তু শ্লীলতাহানির মামলা তুলে নিতে সে অস্বীকার করায় তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। শরীরের ৭৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন ছাত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা যেমন নজিরবিহীন, তার চেয়ে শিউরে ওঠার বিষয় তারই সহপাঠীরা তাকে পুড়িয়ে মারতে চেয়েছে, এমন একটি মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করায়, যে ঘটনার শিকার তারাও হতে পারত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়ে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি, শ্লীলতাহানি ও নানা ধরনের নিপীড়নের শিকার হওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। ফেনীর ঘটনায় যেভাবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার আধা ঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র দেয়ার লোভ দেখিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছিল, এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। তবে এ ক্ষেত্রে অধ্যক্ষের ফাঁদে পা না দেয়ায় ছাত্রীটি প্রশংসা পাওয়ার দাবিদার। এখন সরকারের উচিত ভিকটিমের চিকিৎসার সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ফাঁদ তৈরি করা অধ্যক্ষ এবং আলোচ্য ছাত্রীকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। কারণ এখানে একাধিক ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। প্রথমত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়, যার বিরুদ্ধে সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। দ্বিতীয়ত, ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং সর্বশেষ, খোদ ভিকটিমকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা। এসবের কোনো একটি অপরাধকেও খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ছাত্রীটিকে তার ভাই হলে বসিয়ে রেখে আসতে পারেনি, কারণ তাকে গার্ডরা তা করতে দেয়নি। অন্যদিকে তারই সহপাঠীরা তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এ থেকে স্পষ্ট যে, ছাত্রীর মায়ের করা শ্লীলতাহানির মামলায় জেলে থাকলেও অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সহযোগীরা তৎপর রয়েছে। বিষয়টির প্রমাণ মেলে তার পক্ষে-বিপক্ষে গ্রুপ তৈরি হওয়া থেকে। এটা সহজেই অনুমেয়, কোনো ধরনের সুবিধাপ্রাপ্তি ছাড়া কেউ অপরাধীর পক্ষে অবস্থান নেয় না। এ অবস্থায় অপরাধীদের সাজা ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন রোধে উচ্চ আদালত নির্দেশিত নিয়মাবলি কঠোরভাবে পালন করার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে আমরা আশাবাদী। লে খক ভারতের মুক্ত সাংবাদিক
সম্পাদকীয়
দোষি দের কঠোর শাস্তি দিতে হবে ।। নারী পরীক্ষার্থীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা

অর্থ উপার্জনকারী নয় বলেই কন্যা শিশুরা অবহেলিত

ঝিনাইদহের জঙ্গলের কুড়িয়ে পাওয়া অরন্য ও মানুষ ওসি আনোয়ার, অতপর আমার দুটি কথা

নারী নির্যাতন

 
 
  Copyright © muksudpurbarta.com 2015, Developde by JM IT LTD