মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে এক মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু । মাদারীপুরে খাল পরিস্কার ও খালের পাড়ে থাকা ৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ
BREAKING NEWS   ||   মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে এক মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু ।      ||   মাদারীপুরে খাল পরিস্কার ও খালের পাড়ে থাকা ৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মুকসুদপুরে গৃবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে প্রচার অভিযোগ ।      ||   মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ জন      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   আলোকিত মানুষ হয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়      ||   চীনের সহায়তায় রোহিঙ্গা ফেরানোর প্রস্তাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      ||   ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা      ||   তিনি ছি লেন দলিত মানুষের ত্রাণকর্তা     
তারিখ: 2015-11-23 | সময়: 14:26:48 | প্রতিনিধি:
নৃপেন্দ্রনাথ চক্রবতী অনেক নারীই তাদের সবচেয়ে আপনজন, কাছের মানুষ স্বামী দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকেন। যৌতুকসহ তুচ্ছ বিষয় নিয়েও স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকজন অসহায় বধূর ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটায়। গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ নারীই স্বামীর গালাগাল বা সামান্য শারীরিক লাঞ্ছনাকে নির্যাতন বলে মনে করেন না। পত্রিকার পাতায় এবং টিভি চ্যানেলগুলোর কল্যাণে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতন-খুন অথবা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাতে নির্যাতনের খবর পাওয়া যায়। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় নারী নির্যাতন যেন নৈমিত্তিক ঘটনা। দীর্ঘকাল ধরে নারী অবহেলিত, নির্যাতিত ও সহিংসতার শিকার। জানা গেছে, বাংলাদেশের ৮৭ শতাংশ নারীই কোন না কোনভাবে নির্যাতনের শিকার। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ নারী স্বামীর দ্বারা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। তাদের ৩৬ শতাংশ যৌন নির্যাতন, ৮২ শতাংশ মানসিক এবং ৫৩ শতাংশ নারী স্বামীর মাধ্যমে অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার হন। এসব নারীর ৭৭ শতাংশ বিগত এক বছরেও একই ধরনের নির্যাতন ভোগ করেছেন। এ ক্ষেত্রে বয়স অনুযায়ী নির্যাতনের ধরন পাল্টাতে থাকে। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে পুরুষতান্ত্রিকতা এবং এ সংক্রান্ত সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য। শারীরিক নির্যাতনের শিকার অর্ধেক নারীও চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ পান না। এক-তৃতীয়াংশ নারীই স্বামীর ভয়ে বা স্বামীর সম্মতি না থাকায় চিকিৎসকের কাছ যেতে পারেন না। এই ক্ষেত্রে শহরের তুলনায় গ্রামে নারী নির্যাতনের ঘটনা একটু বেশি ঘটে। সাধারণত পারিবারিক নির্যাতন, যৌতুক, ধর্ষণ, এ্যাসিড নিক্ষেপ, যৌন হয়রানি, সালিশ সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণে নারী নির্যাতনের শিকার হন। এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি ২০০১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ পর্যন্ত যৌতুক সহিংসতার কারণে ২৭৫৩ জন নারীকে হত্যা এবং ১৭৮৭ জন নারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এ সময়ে ১৯৯ জন নারী আত্মহত্যা করেছেন। ১০০৮৭ জন নারী ও মেয়ে শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ্যাসিড সহিংসতার শিকার ১৭৯৬ জন। ১৭৮২ জন নারী ও মেয়ে শিশু বখাটেদের যৌন হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সমাজে এমন একটি ধারণা বদ্ধমূল রয়েছে যে, নির্যাতনই নারীর ভবিতব্য। নির্যাতন নিয়ে উচ্চবাচ্য না করে তা মেনে নেয়াই নারীর কাজ বলে সমাজে অপপ্রচার রয়েছে। আরও একটি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, নারী তাদের নিজেদের দোষেই নির্যাতিত হন, এ ক্ষেত্রে অনেকেই পুরুষকে দোষ দিতে চান না। একবিংশ শতাব্দিতে এসেও দেশের নারীরা নির্যাতিত হবেন এটা মেনে নেয়া যায় না। নির্যাতিতদের বেশিরভাগ আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন না। অনেক সময় আরও বেশি নির্যাতিত হওয়ার ভয়ে বা যথাযথ বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় নারীরা আইনী পদক্ষেপ নেয়া থেকে বিরত থাকেন। নারী কেবল নারী নয়। নারী আত্মমর্যাদাসম্পন্ন একজন মানুষ এই বোধ সবার মধ্যে জাগাতে হবে। সর্বক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন আরও জোরদার করতে হবে। নারীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। পরিবার ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা দরকার। এ জন্য ব্যাপক প্রচারণা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচী নেয়া যেতে পারে। শিক্ষা ব্যবস্থায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমাজের সবাইকে আরও দৃঢ় ভূমিকা রাখতে হবে

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে 246 বার
সম্পাদকীয়
দোষি দের কঠোর শাস্তি দিতে হবে ।। নারী পরীক্ষার্থীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা

অর্থ উপার্জনকারী নয় বলেই কন্যা শিশুরা অবহেলিত

ঝিনাইদহের জঙ্গলের কুড়িয়ে পাওয়া অরন্য ও মানুষ ওসি আনোয়ার, অতপর আমার দুটি কথা

নারী নির্যাতন

 
 
  Copyright © muksudpurbarta.com 2015, Developde by JM IT SOLUTION