মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে এক মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু । মাদারীপুরে খাল পরিস্কার ও খালের পাড়ে থাকা ৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ
BREAKING NEWS   ||   মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে এক মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু ।      ||   মাদারীপুরে খাল পরিস্কার ও খালের পাড়ে থাকা ৪৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মহেশপুরের গোকুলনগর এলাকা থেকে ১০০ বতল ফেনসিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ      ||   মুকসুদপুরে গৃবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে প্রচার অভিযোগ ।      ||   মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ জন      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   মুকসুদপুরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।      ||   আলোকিত মানুষ হয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়      ||   চীনের সহায়তায় রোহিঙ্গা ফেরানোর প্রস্তাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      ||   ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা      ||   তিনি ছি লেন দলিত মানুষের ত্রাণকর্তা     
তারিখ: 2019-04-17 | সময়: 00:45:58 | প্রতিনিধি:
নৃপেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫টি জেলার মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী ফরিদপুর সদরে নারী শ্রমিকের কদর ও সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ফসলের মাঠে, নির্মাণ কাজে এবং বয়লার-চাতালসহ বিভিন্ন কাজে পুরুষ শ্রমিকদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে নারী শ্রমিকরা। পুরুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সম পরিমাণ কাজ করলেও মজুরিতে তারা বৈষম্যের শিকার। প্রতিদিন শ্রম বিক্রি করে একজন পুরুষ একজন পুরুষ শ্রমিক যে পরিমাণ মজুরি পান, সমপরিমাণ শ্রম দিয়ে একজন নারী শ্রমিক পান তার অর্ধেক। অল্প মজুরিতে বেশি কাজ পাওয়া যায় এবং কাজে গাফিলতি না করায় এই অঞ্চলের শ্রম বাজারে পুরুষের চেয়ে নারী শ্রমিকের চাহিদা ও কদর অনেক বৃদ্ধি বিশেষ করে কৃষিনির্ভর ৫টি জেলায় প্রায় ৩ হাজার বয়লার চাতালের কাজে নারী শ্রমিকের কদর অনেক বেশি। এই শিল্পে প্রায় লক্ষাধিক নারী শ্রমিক প্রতিদিন শ্রম দিচ্ছে। এই বিপুলসংখ্যক নারী শ্রমিকরাই চাতাল শিল্পকে করেছে সমৃদ্ধ। চাতালের ধান সিদ্ধ-শুকানো, ঝাড়া-চালাসহ বস্তা বন্দীও কাজে নারী শ্রমিকের জুড়ি নেই। এদের জন্য চাতাল শিল্প নারী শ্রমিকনির্ভর হলেও বেতন বৈষম্যে তারা বরাবরই অবহেলিত। চাতাল শিল্প ছাড়াও এ ৫টি জেলায় তাঁত শিল্প, মাদুর শিল্প, মৃৎ শিল্প, বাঁশ শিল্প, বাটিক শিল্প, ইমিটেশন শিল্প, পাট শিল্প, কাপড় শিল্প, কৃষি কাজে জড়িত রয়েছে প্রায় ৩ লক্ষাধিক নারী শ্রমিক। তাঁত শিল্পে নারীরা নিপুণ হাতে তৈরি করছে বিভিন্ন নকশা আঁকা চাদর, কম্বল, তোয়ালে, পাপোশ, ওয়াল মেট, শাড়ি, লুঙ্গি, গামছাসহ সুতা তৈরি রকমারি পোশাক। বাটিক শিল্প কাজে নারীরা সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবি, ফতুয়াসহ ছোট ছেলেমেয়েদের পোশাক তৈরি এবং সেগুলোতে নিপুণ হাতে রকমারি সুতার নকশা করা এ্যাম্ব্রয়ডারি পোশাক শিল্পকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। এছাড়া গ্রামীণ কুটির ও হস্ত শিল্পে বাঁশ-বেত ও প্লাস্টিক দিয়ে নারীরা তৈরি করছে বুক সেলফ, দোলনা, মোড়া, চেয়ার, কুলা চালন, ডালা ও নকশা আঁকা নানা রকমের হাতপাখা। কৃষি উৎপাদনেও নারীরা পিছিয়ে নেই। তারা জমিতে নিড়ানি, ধান রোপণ, এমনকি ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজেও পুরুষ শ্রমিদের সমান অবদান রাখছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫টি জেলায় পুরুষ শ্রমিকেরা অধিকাংশই কৃষি কাজ ছেড়ে বয়লার, চাতাল, মৎস্য খামারে, জুট মিলে কাজ নেয়াসহ রিকশা, ভ্যান, টমটম চালানোর কাজে নিয়োজিত হওয়ায় কৃষি ও নির্মাণ কাজে শ্রমিক সঙ্কট দেখা দেয়। এক্ষেত্রে পুরুষ শ্রমিকের বিকল্প হিসেবে নারী শ্রমিকরা এগিয়ে আসায় শ্রমিকের সঙ্কট অনেকটা লাঘব হয়েছে। পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা সমানে কাজ করে যাচ্ছে। পুরুষ শ্রমিকের মতো নারীরা কাজে ফাঁকি দেয় না। এ জন্য মালিক বা গৃহস্থদের কাছে নারী শ্রমিকদের কদর অনেক বেশি। এদিকে শ্রম বাজারে নারী শ্রমিকদের কদর বাড়লেও বাড়েনি তাদের শ্রমের মজুরি। মজুরিতে তারা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গত ৫/৬ বছর আগে একজন পুরুষ শ্রমিকের মজুরি ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। কয়েক বছরের ব্যবধানে তাদের শ্রমের মজুরি বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি। এখন তারা শ্রমের মজুরি পাচ্ছে ২০০ টাকা থেকে ২৬০টাকা আর একই কাজ করে একজন নারী শ্রমিক দিন হাজিরা পাচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। বেতন বৈষম্যে নারীরা অবহেলিত হলেও নির্মাণ কাজে তারা পুরুষ শ্রমিকের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। অল্প মজুরির বিনিময়ে দালান কোঠা, রাস্তাঘাট ও সেতু কালভার্ট নির্মাণে কাজে নারীরা উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। অন্যদিকে গৃহস্থালি কাজের ফাঁকে ফাঁকে স্বল্প আয়ের নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীরা গ্রামীণ ক্ষুদ্র কুটির শিল্পে শ্রম দিয়ে বাড়তি আয়ের মাধ্যমে অভাবের সংসারে অনেকটা সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে। এছাড়া পল্লী এলাকার গৃহবধূরা নিজ নিজ বাড়িতে হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগল পালনসহ সেলাই কাজ করে সংসারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনছে। সব মিলিয়ে বৃহওর ফরিদপুরের নারী শ্রমিকদের চাহিদা যেমন বাড়ছে তেমনি প্রতিযোগিতামূলকভাবে নারী শ্রমিকদের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক সময় সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে নারীরা ঘর থেকে বের হতে পারত না। এজন্য নিম্ন আয়ের কৃষক, শ্রমিক ও দিন মজুরদের সংসারে অভাব অনটন সব সময় লেগেই থাকত। অনেক পরিবারে দুবেলা দুমুঠো খাবারও জুটত না। অর্ধাহারে অনাহারে ওই সকল পরিবারের সদস্যদের দিন কাটাতে হতো। কালের বিবর্তনে সকল বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে নারীরা মাঠেঘাটে, বন্দরে পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে 149 বার
ফিচার
তিনি ছি লেন দলিত মানুষের ত্রাণকর্তা

তিনি ছি লেন দলিত মানুষের ত্রাণকর্তা

তিনি ছি লেন দলিত মানুষের ত্রাণকর্তা

লেখক পরিচিতি -

মজুরি বৈষম্যের শিকার ফরিদপুরের নারী কৃষি শ্রমিকরা

পাখি

জঙ্গিদের আখড়া পাকিস্তান

মৃৎশিল্পের স্বরূপ সন্ধান

চৈত্রসংক্রান্তি ও চড়কের মেলা ||

বেদে সম্প্রদায়ের নারীদের বিচিত্র জীবন

 
 
  Copyright © muksudpurbarta.com 2015, Developde by JM IT SOLUTION